Showing posts with label কুমিল্লা বিপিএল. Show all posts
Showing posts with label কুমিল্লা বিপিএল. Show all posts

16 December 2015

চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স (ভিডিও)

চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স (ভিডিও)


বিশেষ প্রতিবেদনঃ কুমিল্লার ইনিংস, একাদশতম ওভার। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে এগিয়ে এসে সেকুগ্গে প্রসন্নকে তুলে মারলেন ইমরুল কায়েস। দুটো বলেই ফলাফল একই – ছক্কা! ১২ তম ওভার শেষে বরিশাল বুলসের বিপক্ষে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সংগ্রহ ৯৪ রান।
তখন ম্যাচটা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হাতের মুঠোয়। কিন্তু, এরপরই যেন বদলে গেলো ম্যাচের গতিপথ। ম্যাচের মোড় অনেকটাই ঘুরে গেলো বরিশাল বুলসের দিকে। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ‘আন্ডারডগ’ দলটাই তখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রক।
শেষ ওভারেও দরকার ছিল ১৩ রান। প্রথম বলেই রান আউট হয়ে ফিরলেন শুভাগত হোম। কিন্তু শেষ চার বলেই সব হিসেব-নিকেশ আবার বদলে দিলেন এমন একজন যিনি নিলামে কোন দলই পাননি প্রথমে - অলক কাপালি। চার বলে ১১ রান তুলে নিয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে চ্যাম্পিয়ন করে দিলেন তিনি।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তৃতীয় আসরের ফাইনালে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বরিশাল বুলসকে তিন উইকেটে হারিয়ে দিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। বরিশাল বুলসের দেয়া ১৫৭ রানের লক্ষ্যে সাত উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা। 
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে, বরিশালের ইনিংসের প্রাণভোমরা হয়েছিল একটা জুটি। চতুর্থ উইকেট জুটিতে শাহরিয়ার নাফিসকে সাথে নিয়ে বরিশালের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ করেন ৮১ রান। ওভার প্রতি ৯.২ হারে রান তুলে বরিশালের ইনিংসটাকে ১৫৬ রানে নিয়ে যাওয়ার কৃতীত্বটা এই দুজনের।
ইনিংসের ২০ তম ওভারে আউট হওয়ার আগে রিয়াদ করেন ৩৬ বলে ৪৮। আর ৩১ বলে ৪৪ করে অপরাজিত থাকেন নাফিস। এর বাদে বলার মত ইনিংস খেলেছিলেন ওপেনিংয়ে নামা লঙ্কান ব্যাটসম্যান সেকুগ্গে প্রসন্ন। ১৯ বলে ৩৩ রানের ঝড়ো এক ইনিংস খেলেন তিনি।

15 December 2015

শিরোপা কুমিল্লার ঘরে

শিরোপা কুমিল্লার ঘরে


বিশেষ প্রতিবেদনঃ কুমিল্লার ইনিংস, একাদশতম ওভার। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে এগিয়ে এসে সেকুগ্গে প্রসন্নকে তুলে মারলেন ইমরুল কায়েস। দুটো বলেই ফলাফল একই – ছক্কা! ১২ তম ওভার শেষে বরিশাল বুলসের বিপক্ষে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সংগ্রহ ৯৪ রান।
তখন ম্যাচটা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হাতের মুঠোয়। কিন্তু, এরপরই যেন বদলে গেলো ম্যাচের গতিপথ। ম্যাচের মোড় অনেকটাই ঘুরে গেলো বরিশাল বুলসের দিকে। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ‘আন্ডারডগ’ দলটাই তখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রক।
শেষ ওভারেও দরকার ছিল ১৩ রান। প্রথম বলেই রান আউট হয়ে ফিরলেন শুভাগত হোম। কিন্তু শেষ চার বলেই সব হিসেব-নিকেশ আবার বদলে দিলেন এমন একজন যিনি নিলামে কোন দলই পাননি প্রথমে - অলক কাপালি। চার বলে ১১ রান তুলে নিয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে চ্যাম্পিয়ন করে দিলেন তিনি।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তৃতীয় আসরের ফাইনালে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বরিশাল বুলসকে তিন উইকেটে হারিয়ে দিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। বরিশাল বুলসের দেয়া ১৫৭ রানের লক্ষ্যে সাত উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা। 
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে, বরিশালের ইনিংসের প্রাণভোমরা হয়েছিল একটা জুটি। চতুর্থ উইকেট জুটিতে শাহরিয়ার নাফিসকে সাথে নিয়ে বরিশালের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ করেন ৮১ রান। ওভার প্রতি ৯.২ হারে রান তুলে বরিশালের ইনিংসটাকে ১৫৬ রানে নিয়ে যাওয়ার কৃতীত্বটা এই দুজনের।
ইনিংসের ২০ তম ওভারে আউট হওয়ার আগে রিয়াদ করেন ৩৬ বলে ৪৮। আর ৩১ বলে ৪৪ করে অপরাজিত থাকেন নাফিস। এর বাদে বলার মত ইনিংস খেলেছিলেন ওপেনিংয়ে নামা লঙ্কান ব্যাটসম্যান সেকুগ্গে প্রসন্ন। ১৯ বলে ৩৩ রানের ঝড়ো এক ইনিংস খেলেন তিনি।


12 December 2015

ফাইনালে কুমিল্লা

ফাইনালে কুমিল্লা


বিশেষ প্রতিবেদনঃ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটা যে এতটা এক তরফা হবে সেটা আগে থেকে একেবারেই অনুমান করা যায়নি। টসে হেরে ব্যাট করতে নামা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের দেয়া ১৬৩ রানের সুবাদে ১৭ ওভারে মাত্র ৯১ রানেই অল আউট হয়ে যায় সাকিব আল হাসানে রংপুর।

ফলে, ৭২ রানের বড় জয় নিয়ে ফাইনালে চলে গেল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। আগামী ১৫ ডিসেম্বর একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। ফাইনালে মাশরাফিদের প্রতিপক্ষ অবশ্য এখনও চুড়ান্ত হয়নি। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের সুবাদে ম্যাচ সেরা হয়েছেন আসহার জাইদি।
ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের হয়ে মাত্র তিন জন ব্যাটসম্যান পৌঁছাতে পেরেছেন দুই অংকের ঘরে। এর মধ্যে ২০ বলে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন ওপেনার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেন্ডল সিমন্স। এছাড়া মোহাম্মদ নবি ১২ ও থিসারা পেরেরা ১১ রান করেন।
রংপুরের ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে বড় ধস নামান বাঁ-হাতি পেসার আবু হায়দার রনি ও ইংল্যান্ডের পাকিস্তানি বংশদ্ভুত বাঁ-হাতি স্পিনার আসহার জাইদি। দু’জনেই নিয়েছেন চারটি করে উইকেট। এছাড়া টানা চার ম্যাচ পর পুরো চার ওভার বল করলেন মাশরাফি। তাতে ১৩ রান দিয়ে এক উইকেট নিয়ে বুঝিয়ে দিলেন বোলিংয়ে ধারটা আছে আগের মতই।
এর আগে ব্যাটিংয়ের শুরুটাও ভাল ছিল কুমিল্লার। উদ্বোধনী জুটিতে ১১ ওভারেই চলে এসেছিল ৭৯ রান। টি-টোয়েন্টির বিবেচনায় মোটেই মন্দ কোন রান নয়। সেখান থেকে অন্তত মারমার কাট কাট ব্যাটিং করে ১৭০-১৮০ রান খুবই সম্ভব ছিল । কিন্তু, সেটা সম্ভব হল না লঙ্কান পেসার থিসারা পেরেরার কল্যানে।
কোয়ালিফায়ারে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই পেসারের পাঁচ উইকেটের সুবাদে ১৬৩ রানে গিয়ে থামলো মাশরাফি বিন মুর্তজার দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
চার ওভার বল করে রংপুর রাইডার্সের এই তারকা ২৬ রান দিয়ে নেন চার উইকেট। সাত উইকেটে নির্ধারিত ২০ ওভারে লড়াই করার পুঁজি পাওয়া কুমিল্লার হয়ে ব্যাট হাতে তারকা মূলত দু’জন। তারা হলেন –ইমরুল কায়েস ও আসহার জাইদি। ইমরুল ৪৮ বলে ৬৭ ও জাইদি ১৫ বলে ৪০ রান করেন।
বল হাতে ব্যর্থ রংপুরের অধিনায়ক সাকিব। চার ওভার বল করে ৪২ টি রান দিয়েছেন তিনি! পরে ব্যাট হতেও কোন রান না করেই ফিরে যান প্রথম বলে, আর তার দলও ব্যর্থই হল!


07 December 2015

বরিশালকে হারিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখল কুমিল্লা

বরিশালকে হারিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখল কুমিল্লা


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১০৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই সাজেদুল ইসলামের বলে সাব্বির রহমান রুম্মানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ওপেনার লিটন কুমার দাস। ম্যাচে উত্তেজনা বলতে ওটুকুই।
৬৩ বলে ৭৬ রানের এক ইনিংস খেলে সকল সংশয় দূর করে দেন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান আহমেদ শেহজাদ। তার এই ১০ চার ও এক ছক্কায় সাজানো ইনিংস ছাড়াও ১৮ বলে ২০ রান করেন আসহার জাইদি।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ওভার তিন বল বাকি থাকতেই সাত উইকেটের এক বড় জয় তুলে নেয় মাশরাফি বিন মুর্তজার দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
আর আট ম্যাচে নিজেদের ষষ্ঠ জয় নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেললো এই দলটি। আর বরিশাল বুলসের এটা টানা দ্বিতীয় ও সব মিলিয়ে তৃতীয় পরাজয়।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে, বরিশাল বুলস নির্ধারিত ২০ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে করে ১০৫ রান। সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আর কুমিল্লার আসহার জাইদি নেন দুই উইকেট।


03 December 2015

চিটাগাংকে হারিয়ে আবারো পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে কুমিল্লা

চিটাগাংকে হারিয়ে আবারো পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে কুমিল্লা


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ম্যাচের ভাগ্য বদলাচ্ছিল বারবারই। একবার চিটাগং ভাইকিংসের দিকে, অন্যবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের দিকে। আর ভাগ্যের এই দোলাচল চললো শেষ ওভার অবধি। আর তাতে জিতে গেল মাশরাফি বিন মুর্তজার কুমিল্লা। জিতে গেল পাঁচ উইকেটের ব্যবধানে।
শেষ ওভারে দরকার ছিল সাত রান। প্রথম বলে নো বলের সৌজন্যে পাওয়া সুযোগে সেই পথটা আরও সুগম হয়ে যায়। ফলে দুই বল বাকি থাকতে পাঁচ উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। সাত ম্যাচে এটা তাদের পঞ্চম জয়।
টসে জিতে ব্যাট করতে নামা চিটাগং ভাইকিংস পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান উমর আকমলের ৩৪ বলে করা ৪৯ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে করেছিল ১৩৬ রান। টি-টোয়েন্টিতে এটা বড় লক্ষ্য নয়। তারপরও ম্যাচটা চললো শেষ ওভার অবধি। আর তাতে ২০ তম ওভারের চতুর্থ বলে ছক্কা মেরে জয় নিশ্চিত করে ফেলেন পাকিস্তানের শোয়েব মালিক।
পাকিস্তানের আহমেদ শেহজাদ ৩৭, ইমরুল কায়েস ৩৫ ও শোয়েব মালিক ৩৪ রান করেন। চিটাগংয়ের হয়ে দুটি উইকেট নেন মোহাম্মদ আমির। জানিয়ে রাখা ভাল, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তৃতীয় আসরে এটা চিটাগংয়ের অষ্টম ম্যাচে ষষ্ঠ পরাজয়।
স্বাগতিক দলের হার দিয়ে বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্বের ইতি ঘটলো!