কুমিল্লা রিপোর্ট২৪ ডেস্কঃ সিনেমা হলশূন্য হয়ে পড়েছে কুমিল্লা। ’৯০-এর দশকেও কুমিল্লা শহরে ৬টি সিনেমা হল চালু ছিল। এখন কোনো মতে চলছে মাত্র দুটি সিনেমা হল। এগুলো ভেঙেও বাণিজ্যিক ভবন তৈরির পরিকল্পনা চলছে বলে জানা গেছে। শুরু থেকেই বিনোদন সংকটে আক্রান্ত কুমিল্লায় চিত্তবিনোদনের কোনো স্থান ছিল না। এখনো তেমন কোনো চিত্তবিনোদনের স্থান গড়ে ওঠেনি। শুধু উদ্যোগের অভাবে কুমিল্ল চিত্তবিনোদন সংকটে রয়েছে বলে মনে করছেন কুমিল্লার সুধীমহল। কুমিল্লার সিনেমা হলগুলো চিত্তবিনোদনের স্থান হিসেবে থাকলেও এখন সিনেমা হলশূন্য হয়ে পড়ছে কুমিল্লা। কুমিল্লার সিনেমা হলগুলোর নামও ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও শ্রুতিমধুর।’৯০-এর দশকেও কুমিল্লা নগরীর দিপীকা, দিপালী, মধুমতি, লিবার্টি, রূপালী, রূপকথা নামে ৬টি সিনেমা হল চালু ছিল। এখন এর ৪টিই বন্ধ হয়ে গেছে। চালু আছে মাত্র মধুমতি আর রূপালী সিনেমা হল। মালিকানা সম্পর্কিত দ্বন্দ্ব আর কর মামলায় জড়িয়ে প্রথমে বন্ধ হয়ে যায় নগরীর কান্দিরপাড়ের লিবার্টি সিনেমা হল, যা নিয়ে এখনো মালিকানার মামলা চলছে। এ সিনেমা হলটি বন্ধের কয়েক বছর পরই করের মামলায় পড়ে বন্ধ হয়ে যায় নগরীর রাজগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত রূপকথা সিনেমা হল। এ দুটি সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেলে কুমিল্লাবাসী দারুণ বিনোদন সংকটে পড়ে।এরপর কুমিল্লাবাসীর কাছে দিপীকা, দিপালী, মধুমতি আর রূপালী সিনেমা হল ছিল বিনোদনের মূল ক্ষেত্র। সাম্প্রতিক সময়ে দিপীকা ও দিপালী সিনেমা হল দুটি ভেঙে ফেলা হয়। এখানে বাণিজ্যিক ভবন তৈরির কাজ চলছে। এ হল দুটি ভেঙে ফেলায় কুমিল্লা ব্যাপক বিনোদন সংকটে পড়ে।রূপকথা সিনেমা হলটি এখন একটি লেপ-তোশক তৈরির দোকানের দখলে রয়েছে। এখানে এখন লেপ-তোশক তৈরি করা হয় এবং ওই দোকানের কর্মচারীরা বসবাস করেন। নগরীর লিবার্টি সিনেমা হলটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। এ হলের সামনের বারান্দা বিভিন্ন লোক দখলে নিয়ে ছোট ছোট দোকানের রূপ দিয়ে ব্যবসা করছেন।কুমিল্লায় বিনোদন সংকটের কথা চিন্তা করে দিপীকা সিনেমা হল তৈরির জন্য ১৯৬৫ সালে কান্দিরপাড়ের ৬০ শতক সরকারি জমিতে সিনেমা হল ও হোটেল স্থাপনের জন্য দেলোয়ার থিয়েটার অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজকে সরকারি জমি লিজ দেওয়া হয়। তারা এখানে দিপীকা সিনেমা হল তৈরি করে। লিজের শর্ত অনুযায়ী তা বিক্রি কিংবা হস্তান্তর করা সম্ভব নয়। শুধু সিনেমা হল ও হোটেল হিসেবে চালানোর জন্য এ লিজ দেওয়া হয়। পরে এখানে দিপালী সিনেমা হল নামে আরও একটি সিনেমা হল তৈরি করা হয়। দুটি সিনেমা হলই চালু অবস্থায় ভেঙে ফেলা হয়। রাতের আঁধারে সিনেমা হল দুটিকে ভেঙে ফেলে মালিক পক্ষ। মালিক পক্ষ লিজের শর্ত লঙ্ঘন করে সিনেমা হলের জায়গা রূপায়ণ নামে একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের কাছে দেয় বাণিজ্যিক ভবন তৈরির জন্য। তারা এখন সিনেমা হলটির জায়গায় বহুতল ভবন তৈরির কাজ করছেন।ফলে প্রায় ৫৮ লাখ জনগণের কুমিল্লা জেলার কেন্দ্রস্থল কুমিল্লা নগরীতে এখন সিনেমা হলের সংখ্যা মাত্র ২টি। তাও কোনো মতে টিকে আছে। এগুলোও সহসাই হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর তাহলে সিনেমা হলশূন্য হয়ে পড়বে শিক্ষা-সংস্কৃতির পাদপীঠ, ওস্তাদ আয়েত আলী খান, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান, এসডি বর্মণ, আরডি বর্মণের কুমিল্লা।
সিনেমা হলশূন্য কুমিল্লা
কুমিল্লা রিপোর্ট২৪ ডেস্কঃ সিনেমা হলশূন্য হয়ে পড়েছে কুমিল্লা। ’৯০-এর দশকেও কুমিল্লা শহরে ৬টি সিনেমা হল চালু ছিল। এখন কোনো মতে চলছে মাত্র দুটি সিনেমা হল। এগুলো ভেঙেও বাণিজ্যিক ভবন তৈরির পরিকল্পনা চলছে বলে জানা গেছে। শুরু থেকেই বিনোদন সংকটে আক্রান্ত কুমিল্লায় চিত্তবিনোদনের কোনো স্থান ছিল না। এখনো তেমন কোনো চিত্তবিনোদনের স্থান গড়ে ওঠেনি। শুধু উদ্যোগের অভাবে কুমিল্ল চিত্তবিনোদন সংকটে রয়েছে বলে মনে করছেন কুমিল্লার সুধীমহল। কুমিল্লার সিনেমা হলগুলো চিত্তবিনোদনের স্থান হিসেবে থাকলেও এখন সিনেমা হলশূন্য হয়ে পড়ছে কুমিল্লা। কুমিল্লার সিনেমা হলগুলোর নামও ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও শ্রুতিমধুর।’৯০-এর দশকেও কুমিল্লা নগরীর দিপীকা, দিপালী, মধুমতি, লিবার্টি, রূপালী, রূপকথা নামে ৬টি সিনেমা হল চালু ছিল। এখন এর ৪টিই বন্ধ হয়ে গেছে। চালু আছে মাত্র মধুমতি আর রূপালী সিনেমা হল। মালিকানা সম্পর্কিত দ্বন্দ্ব আর কর মামলায় জড়িয়ে প্রথমে বন্ধ হয়ে যায় নগরীর কান্দিরপাড়ের লিবার্টি সিনেমা হল, যা নিয়ে এখনো মালিকানার মামলা চলছে। এ সিনেমা হলটি বন্ধের কয়েক বছর পরই করের মামলায় পড়ে বন্ধ হয়ে যায় নগরীর রাজগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত রূপকথা সিনেমা হল। এ দুটি সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেলে কুমিল্লাবাসী দারুণ বিনোদন সংকটে পড়ে।এরপর কুমিল্লাবাসীর কাছে দিপীকা, দিপালী, মধুমতি আর রূপালী সিনেমা হল ছিল বিনোদনের মূল ক্ষেত্র। সাম্প্রতিক সময়ে দিপীকা ও দিপালী সিনেমা হল দুটি ভেঙে ফেলা হয়। এখানে বাণিজ্যিক ভবন তৈরির কাজ চলছে। এ হল দুটি ভেঙে ফেলায় কুমিল্লা ব্যাপক বিনোদন সংকটে পড়ে।রূপকথা সিনেমা হলটি এখন একটি লেপ-তোশক তৈরির দোকানের দখলে রয়েছে। এখানে এখন লেপ-তোশক তৈরি করা হয় এবং ওই দোকানের কর্মচারীরা বসবাস করেন। নগরীর লিবার্টি সিনেমা হলটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। এ হলের সামনের বারান্দা বিভিন্ন লোক দখলে নিয়ে ছোট ছোট দোকানের রূপ দিয়ে ব্যবসা করছেন।কুমিল্লায় বিনোদন সংকটের কথা চিন্তা করে দিপীকা সিনেমা হল তৈরির জন্য ১৯৬৫ সালে কান্দিরপাড়ের ৬০ শতক সরকারি জমিতে সিনেমা হল ও হোটেল স্থাপনের জন্য দেলোয়ার থিয়েটার অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজকে সরকারি জমি লিজ দেওয়া হয়। তারা এখানে দিপীকা সিনেমা হল তৈরি করে। লিজের শর্ত অনুযায়ী তা বিক্রি কিংবা হস্তান্তর করা সম্ভব নয়। শুধু সিনেমা হল ও হোটেল হিসেবে চালানোর জন্য এ লিজ দেওয়া হয়। পরে এখানে দিপালী সিনেমা হল নামে আরও একটি সিনেমা হল তৈরি করা হয়। দুটি সিনেমা হলই চালু অবস্থায় ভেঙে ফেলা হয়। রাতের আঁধারে সিনেমা হল দুটিকে ভেঙে ফেলে মালিক পক্ষ। মালিক পক্ষ লিজের শর্ত লঙ্ঘন করে সিনেমা হলের জায়গা রূপায়ণ নামে একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের কাছে দেয় বাণিজ্যিক ভবন তৈরির জন্য। তারা এখন সিনেমা হলটির জায়গায় বহুতল ভবন তৈরির কাজ করছেন।ফলে প্রায় ৫৮ লাখ জনগণের কুমিল্লা জেলার কেন্দ্রস্থল কুমিল্লা নগরীতে এখন সিনেমা হলের সংখ্যা মাত্র ২টি। তাও কোনো মতে টিকে আছে। এগুলোও সহসাই হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর তাহলে সিনেমা হলশূন্য হয়ে পড়বে শিক্ষা-সংস্কৃতির পাদপীঠ, ওস্তাদ আয়েত আলী খান, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান, এসডি বর্মণ, আরডি বর্মণের কুমিল্লা।

0 facebook: