28 March 2016

তনু হত্যা: রহস্য উৎঘাটনের তাগিদ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন


কুমিল্লা রিপোরট২৪ ডেস্কঃ তনু হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তাগিদ দিয়ে কুমিল্লার পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেনকে টেলিফোন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন।
সোমবার কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইন শৃংখলা কমিটির  অনুষ্ঠিত সভা চলার সময় ঢাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা থেকে কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে টেলিফোন করেন।
ফোনে কথা বলার পর পুলিশ সুপার আইন শৃংখলা কমিটির সভায় জানান, এই মাত্র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে টেলিফোনে বলেছেন, তনু হত্যার বিষয়ে সরকার কোনো নাটক দেখতে চান না। ঘটনার যেটা প্রকৃত সত্য; সেটা উদঘাটন করতে চাই। 
পুলিশ সুপার আরো বলেন, ‘অপরাধী যেই হোক না কেন, তদন্তের মাধ্যমে আমরা সেটা বের করতে চাই।’ 
আইন শৃংখলা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক হাসানুজ্জামান কল্লোল বলেন, ‘সেনানিবাসে গিয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমাদের কাছে মনে হয়েছে সেনাবাহিনী আমাদেরকে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী আছে।’ 
সভা শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে কুমিল্লার পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন জানান, মামলার অগ্রগতি বলতে নানা উপাদান সংগ্রহকে বুঝাচ্ছি। 
গত ২০ মার্চ রোববার রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসে পাওয়া যায় সোহাগী জাহান তনুর লাশ। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তনু হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সমাবেশ চলছে পুরো দেশজুরেই।

শেয়ার করুনঃ

Author:

কুমিল্লা অঞ্চলটি একসময় প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অধীনে ছিল। পরবর্তীকালে এটি ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে যোগ দেয়। খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দীতে কুমিল্লা জেলা হরিকেল অঞ্চলের রাজাদের অধীনে আসে। অষ্টম শতাব্দীতে লালমাই ময়নামতি দেব বংশ এবং দশম থেকে একাদশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত চন্দ্র বংশের শাসনাধীনে ছিল। ১৭৬৫ সালে এ অঞ্চলটি ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে আসে। ১৭৯০ সালে জেলাটি ত্রিপুরা জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬০ সালে এর নাম পরিবর্তন করে কুমিল্লা রাখা হয়। ১৯৮৪ সালে কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা পৃথক জেলায় পরিণত হয়।

0 facebook: