04 April 2016

ধর্ষিত হননি সোহাগী, ময়না তদন্ত প্রতিবেদন


জাহাঙ্গীর আলম ইমরুলঃ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর মরদেহের দ্বিতীয় ময়না তদন্ত প্রতিবেদনেও ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। এমনকি ভিসেরা পরীক্ষায় কোনো বিষক্রিয়ার উপস্থিতিও পাওয়া যায়নি।
বাংলামেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. কামদা প্রসাদ সাহা।
ডা. কামদা প্রসাদ সাহা জানান, সোহাগীর মরদেহের দ্বিতীয় ময়না তদন্ত প্রতিবেদন এবং প্রথম ময়না তদন্তের পর ঢাকায় প্রেরিত ভিসেরা পরীক্ষার প্রতিবেদন সংশ্লিষ্টদের হতে এসে পৌঁছেছে। সোমবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে তিনি প্রতিবেদন হাতে পান।
তিনি জানান, সোহাগীর মরদেহের দ্বিতীয় ময়না তদন্ত প্রতিবেদনে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি এবং ভিসেরা পরীক্ষায় কোনো বিষক্রিয়ার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি।
এদিকে সোহাগীর মরদেহের প্রথম ময়না তদন্তের পর এর প্রতিবেদন নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরপর আবারো ময়না তদন্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের একটি জঙ্গল থেকে সোহাগীর লাশ পাওয়া যায়। তাকে হত্যার করে লাশ ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি তদন্তে র‌্যাব, পুলিশসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা মাঠে নামে।
গত ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) থেকে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে মামলাটি তারাই তদন্ত করছে।

শেয়ার করুনঃ

Author:

কুমিল্লা অঞ্চলটি একসময় প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অধীনে ছিল। পরবর্তীকালে এটি ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে যোগ দেয়। খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দীতে কুমিল্লা জেলা হরিকেল অঞ্চলের রাজাদের অধীনে আসে। অষ্টম শতাব্দীতে লালমাই ময়নামতি দেব বংশ এবং দশম থেকে একাদশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত চন্দ্র বংশের শাসনাধীনে ছিল। ১৭৬৫ সালে এ অঞ্চলটি ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে আসে। ১৭৯০ সালে জেলাটি ত্রিপুরা জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬০ সালে এর নাম পরিবর্তন করে কুমিল্লা রাখা হয়। ১৯৮৪ সালে কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা পৃথক জেলায় পরিণত হয়।

0 facebook: