নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যেই বিষয় গুলো জনমনে প্রশ্ন জাগিয়ে দেয়ঃ
ক্যান্টনমেন্ট এলাকা সিসি টিভিক্যামেরা দ্বারা আবৃত থাকে,যেই স্থানে তনুকে ধর্ষণ করা হয়েছিলোতার আশেপাশে সিসি টিভি আছে বলে জানা যায়৷ তাহলে ঐসবফুটেজ গেলো কই?এই প্রশ্ন এখন সকল সাধারন মানুষের মনে।ঘটনাস্থলের দুইপাশেই সেনা ক্যাম্প আছে।সেনানিবাস এলাকায় ঢুকতে গেলে আপনার সমস্ত তথ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় কারনউল্লেখ করে ঢুকতে হবে।তাহলে ধর্ষক যদি বাইরে থেকে ঢুকে থাকে তবেসেনাবাহিনীর কাছে নিশ্চই সেই তথ্যআছে বলে বিশিষ্ট জনদের ধারনা।হত্যাকান্ডের পর তনুর বাসায় তার কোনো সহপাঠিকে নাকি সেনাবাহিনী ঢুকতে দেয়নি বলে গনমাধ্যমে প্রচার করা হয়।চার দিন হয়ে গেল, সেনানিবাস থেকে কোনবক্তব্য এখনো দেয়া হয়নি কেনো?
যে তথ্য গুলো এখন পর্যন্ত জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছেঃ এই হত্যা কান্ডে পায়েল নামে একটি নাম বেরিয়ে এসেছে।যার তথ্য দেয় তনুর চাচাতো বোন। পায়েল এর অস্তিত্ব কতটুকু তা এখনো জানাতে পারেনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বাংলাদেশের প্রথম সারির বেশ কয়েকটি পত্রিকায় বের হয়ে আসে এক সেনা সদস্য নাকি তনুকে প্রতিনিয়ত তার যাতায়াতে তাকে বিরক্ত করতো।এই তথ্যের বাস্তবতা কতটুকু তা ও জানাতে পারেনি প্রশাসন।
এছাড়াওআজ ২ দিন যাবৎ ফেসবুক সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেরিয়ে এসেছে আরেকটি তথ্য কোন এক সেনাবাহীনির উপরস্ত কর্মকর্তার ছেলের লালসার শিকার তনু। কিন্তু কুমিল্লার জেলা সুপার জনাব আবিদ গনমাধ্যমকে জানায় যে তারা বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়েই তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তবে গতকাল রাত পর্যন্ত উনি শিকার করেন যে এখন পর্যন্ত তনুর সুরত হাল রিপোর্ট এখনো তার হাতে এসে পৌঁছায়নি।তাই তিনি এখনো কোন ধরনের মন্তব্য করতে রাজি নন।তবে তদন্ত সময় সাপেক্ষ বলে তিনি দাবী করেন।

0 facebook: